দেশের প্রথম মাল্টি-স্কেল ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) চালু করেছে ফকির টেকনোলজিস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি জিরো ব্র্যান্ড নামে তিনটি ভিন্ন ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম বা বেস প্রতিস্থাপনে সক্ষম হয়েছে, যা নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ নিশ্চিত, ডিজেল জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে। ফলে শিল্পের ব্যয় কমবে।
জিরো ব্র্যান্ড-এর ৩ ধরণের বেস জিরো ম্যাক্স (১ থেকে ১০ মেগাওয়াট ) পোশাক শিল্প, উৎপাদনশীল কারখানা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইটি ডেটা সেন্টার এবং হাসপাতালের জন্য একটি যুগোপযোগী, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে কাজ করে। জিরো মিড (১০০ থেকে ৮০০ কিলোওয়াট) অফিস কিংবা বিভিন্ন বাণিজ্যিক ভবনসহ যেকোনো ছোট কারখানার জন্য একটি সাশ্রয়ী ও আধুনিক সমাধান হিসেবে কার্যকর। জিরো ন্যানো (৫ থেকে ৬০ কিলোওয়াট) আবাসন ও ছোট অফিসগুলোর জন্য একটি সঠিক সমাধান, যা সারা বছর যেকোনো আবহাওয়ায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে। ফকির টেকনোলজিস লি. প্রথমবারের মতো ফকির ফ্যাশন লি.-এ ১ মেগাওয়াট জিরো বেস স্থাপন করে বাংলাদেশের শিল্পখাতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ফকির টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের এ নতুন সংযোজন জিরো শুধু বেস-এর সক্ষমতাই প্রমাণ করে না, বরং শিল্পখাতে বিদ্যুৎ সক্ষমতা নিশ্চিতে এক নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে। আমাদের অভিজ্ঞতায় ১ মেগাওয়াট-এর এ জিরো বেসটি বছরে ৬৬১ টন কার্বন নিঃসরণ কমাতে সক্ষম, যা নির্দ্বিধায় এ মুহূর্তে বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
দীর্ঘমেয়াদি গ্রাহকসেবা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ফকির টেকনোলজিস একটি ব্যাটারি সার্ভিস সেন্টার স্থাপন করেছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও মেরামত সুবিধাসম্পন্ন সার্ভিস সেন্টারটি গ্রাহকদেরকে জিরো বেসসহ যেকোনো ব্যাটারি সিস্টেমের বিক্রয়-পরবর্তী সব সেবা দিতে সক্ষম। বাংলাদেশ যখন নবায়নযোগ্য শক্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন জিরো বেস-এর মতো উদ্ভাবনী সমাধানগুলো দেশে একটি পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি খাত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। কার্বন নিঃসরণ ও শব্দ দূষণ হ্রাস করে এবং প্রাকৃতিক জ্বালানি সঞ্চয়ের মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আবাসন খাতকে জ্বালানি স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিতে এমন প্রযুক্তিগুলোর প্রসার ঘটানো বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই জরুরি।








