ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। টানা ছুটি ও বিশেষ ছুটির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সোমবার বিকেল থেকেই রাজধানীর প্রধান সড়ক ও বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখী মানুষের ভিড় চোখে পড়েছে। এর ফলে বিভিন্ন মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সোমবার রাত পর্যন্ত ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর, আজমপুর, হাউজবিল্ডিং, টঙ্গী ও আবদুল্লাহপুর এলাকায় যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে দেখা যায়। হাতে ব্যাগ-পোঁটলা নিয়ে পরিবারসহ বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। তবে যানবাহনের স্বল্পতার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।
অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, বাড়তি চাপের সুযোগ নিয়ে কিছু বাস মালিক ও শ্রমিক নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করছেন। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন তারা।
উত্তরার একটি বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষমাণ পোশাকশ্রমিক আব্দুল মালেক বলেন, ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি যাচ্ছি। সরকার ছুটি দিয়েছে, এটা ভালো। কিন্তু ভাড়া অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। যেখানে ২০০ টাকা লাগার কথা, সেখানে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।
এদিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ীগামী যাত্রী শাহানা আক্তার জানান, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হলেও বাড়ি ফিরতে পারার আনন্দটাই এখন বড়।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি আগেই সাধারণ ছুটি হিসেবে নির্ধারিত ছিল। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি কার্যকর থাকবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই ছুটির আওতায় সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।





