রাশিদুল আলম শিমুল: বৃহত্তর ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী বিলুপ্ত প্রায় বাশিরাজ চালের আবাদ বেড়েছে। লাল রঙের এ চাল বাংলাদেশের নিজস্ব একটি জাত। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট ময়মনসিংহ ও বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মুক্তাগাছা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই ধান স্থানীয় নিজস্ব জাতের ধান যা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর জেলায় এক সময় প্রচুর চাষ হলেও এখন তেমন একটা চাষাবাদ হয়না। এটি মূলত হালকা সুগন্ধি চালের একটি আদি জাত যা তার দারুন স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য জনপ্রিয়। তবে বর্তমানে উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড ধানের চাষ বাড়ায় এই ঐতিহ্যবাহী বাশিরাজ চাল চাষ কমে আসছে ।
ময়মনসিংহে বাশিরাজ চালসহ দেশীয় জাতের ধানের চাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে আগে এই অঞ্চলের কৃষকের গোলায় এই ধান থাকলেও বর্তমানে এর চাষ কমে গিয়েছে। উদ্যোক্তা পর্যায়ে এই চাল নিয়ে মুক্তাগাছায় মুক্তাগাছা সুপারশপ নামে একটি সংগঠন ২০১৯ সাল থেকে কাজ করছে বলে জানা যায়।
বাশিরাজ চাল ছাড়াও ময়মনসিংহে তুলসীমালা, জামাই আদুরি ও কালোজিরা সুগন্ধি ধান চাষ করা হয়। দাম একটু বেশি হলেও এ চালের দারুন স্বাদ। শুধু বাঁশিরাজ চালই নয় দেশীয় জাতের বিভিন্ন ধান এখন আর কৃষক ইচ্ছা করলেই চাষ করতে পারছেনা বীজ ধান না থাকার কারনে। আগে কৃষকের গোলায় চালের লক্ষে ধান বীজ সংগ্রহ করা হতো। হাইব্রীড চাষাবাদের বদৌলতে এখন বিভিন্ন দেশি বিদেশী বীজ কোম্পানীর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয় ধানবীজ। কৃষক ইচ্ছা করলেই স্থানীয় জাতের ধানবীজ আর পাচ্ছেনা কারণ ইতিমধ্যে তারা তা হারিয়ে ফেলেছে।









