মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ায় ৫ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার ইফতারের আগ মুহূর্তে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহরের আটানী বাজার এলাকায় ভ্যান ও ভটভটি চালকের বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও শুক্রবার বিকেলে পাড়াটঙ্গী এলাকার লোকজন এসে খোকন ও সোহেলের মনসুর স্টোর ও গোডাউন ভাঙচুর করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার বিকেলে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ডাকা বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাধে। রাতে ইফতারের পর তারাটি এলাকার প্রায় দুই শতাধিক লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে আটানীবাজারে অবস্থান নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এ সময় লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ১০–১২টি দোকান ভাঙচুর করা হয়।
খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে উভয় পক্ষের ইট-পাটকেলের আঘাতে ৫ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। পরে পুলিশ, ডিবি, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র্যাব-১৪ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বাহিরের কোনো উসকানি থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দলমত নির্বিশেষে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসনকে সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে।









