চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রীন ভয়েস শাখার উদ্যোগে নবীন সদস্যদের বরণ ও সংগঠনের অঙ্গসংগঠন বহ্নিশিখা-এর নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি অডিটরিয়ামে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রীন ভয়েসের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও পরিবেশ আন্দোলন বাপা’র সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মনজুরুল কিবরিয়া।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, গ্রীন ভয়েস চবি শাখার সভাপতি অনিক সরকার, বিভাগীয় সমন্বয়ক আহমেদ হানিফসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
নবীন সদস্যদের ফুল ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়ার পর গ্রীন ভয়েজের অঙ্গসংগঠন বহ্নিশিখা-এর নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশিক্ষণ সম্পন্নের সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।
গ্রীন ভয়েসের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আলমগীর কবির বলেন,
“পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন কেবল স্লোগানে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এটি হতে হবে জীবনচর্চার অংশ। তরুণদের হাত ধরেই পরিবেশ আন্দোলন এগিয়ে যাবে—গ্রীন ভয়েস সেই কাজটিই করছে। নবীনদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা এবং নারীদের আত্মরক্ষায় প্রশিক্ষণে কাজ করতেছে গ্রীন ভয়েস ”
গ্রীন ভয়েস চবি শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাফি সরকার বলেন,শিক্ষার্থীরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক ও পরিবেশগত দায়িত্ব পালন করে, তাহলে তারা সত্যিকারের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। গ্রীন ভয়েস ও বহ্নিশিখার মতো সংগঠন শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”
গ্রীন ভয়েস চবি শাখার বর্তমান সভাপতি অনিক সরকার বলেন,
“নবীনরাই আমাদের ভবিষ্যৎ শক্তি। আমরা চাই তারা পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চায় সক্রিয় ভূমিকা রাখুক। বহ্নিশিখার মাধ্যমে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষামূলক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে পেরে আমরা গর্বিত।”।
গ্রীন ভয়েস চবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদা আক্তার বলেন,গ্রীন ভয়েসের অঙ্গসংগঠন বহ্নিশিখার মাধ্যমে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারাটে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল তাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। আজ সার্টিফিকেট বিতরণের মাধ্যমে সফল সমাপ্তি হলো।”
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও অনুপ্রেরণামূলক বলে মন্তব্য করেন।









