কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরীর কক্ষে এবার সাংবাদিক ও এক শিক্ষকের উপর হামলা করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদল নেতা অপু, হামযা কায়েস, নীরব, হাসান, হুছাইন, নাবিল, ইরফান, রাজু, তানভীর মাহাতাব, আকবরসহ আরও অনেকে প্রিন্সিপালের কক্ষে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তারা কক্ষ ভাংচুর করেন এবং শিক্ষক, সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায়।
হামলায় আহত হয়েছেন, মেকানিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (১ম শিফট) শিক্ষক মোঃ জাফর ইকবালসহ সাংবাদিক খালিদ, আবু রজিন আহত হন। এছাড়াও শুভ, মারুফ, তুহিনসহ আহত হন অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী।
জানা যায়, বিকাল ৪টায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী নাফিজের উপর অতর্কিত হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। এরপর প্রেসক্লাবের সদস্যরা অধ্যক্ষের কক্ষে হামলার সিসিটিভি ফুটেজের জন্য যান। এরপর সেখানে গিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের উপর হামলা চালান।
এসময় তারা অধ্যক্ষের কক্ষে ভাংচুর করেছেন বলেও জানা যায়।
সাংবাদিক আবু রজিন বলেন, প্রিন্সিপাল স্যার আমাদেরকে সিসিটিভি ফুটেজ না দিয়ে উল্টো ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উস্কে দিয়েছে। এরপর ওরা আমাদের উপর হামলা চালায়। ওরা আমাকে প্রিন্সিপালের রুম থেকে মারতে মারতে বাইরে নিয়ে আসে। ওই রুমে আমার অন্য সহকর্মীদের উপর হামলা করে। একজন স্যারের উপর হামলা চালায়। তারা ক্যাম্পাসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ছাত্রদল নেতা আবু বকর বলেন, আমি অবগত নই। আমি বাসায় ছিলাম খবর শুনে ক্যাম্পাসে আসি। এরপর আমি প্রিন্সিপাল সহ অন্যান্য স্যারদের সেইভ করেছি।
এসব অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমি কাউকে ইন্ধন দেয়নি। নানান জন নানা কথা বলবে। আমার কক্ষে হামলা হয়েছে এবং আমরা এটা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছি। জাফর স্যারের উপর হামলা হয়েছে কিনা আমি জানিনা তবে উনাকে আমি সেন্সলেস হয়ে যেতে দেখেছি পরে উনাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা পুলিশকে খবর দিয়েছি নিরাপত্তার জন্য।









