শুক্রবার, ২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ঈদের ছুটি শেষে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে যানজট-ধীরগতি

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষের কর্মস্থলে ফেরার চাপ ও গাড়ি বিকলের কারণে যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশে যানবাহনের ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এমনকি যমুনা সেতু পশ্চিম টোল প্লাজা থেকে সায়দাবাদ রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কের ঢাকা-রাজশাহী রুটের সয়দাবাদ ও কড্ডারমোড় এলাকায় যানজট শুরু হয় এবং পরে তা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

জানা গেছে, যমুনা সেতুর পূর্ব পাশে টাঙ্গাইল এলাকায় একটি যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় চলাচল ব্যাহত হয়। যার প্রভাব পড়ে পশ্চিম পাশেও। যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকায় সয়দাবাদ ও কড্ডারমোড় এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়।

ঢাকামুখী যাত্রী আল আমিন বলেন, ভোর ৬টার দিকে কড্ডারমোড় এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে সেতু পার হতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে এ পথ পাড়ি দিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগে।

সকালে যমুনা সেতুর পশ্চিম থানার সহকারী উপপরিদর্শক সেলিম রেজা বলেন, ভোর থেকেই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং পূর্ব পাশে দুর্ঘটনার কারণে যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। এতে ধীরে ধীরে চাপ বাড়ে।

তিনি আরও বলেন, যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, রাতে যানবাহনের চাপ বেশি ছিল, তবে সকালে তা কিছুটা কমেছে এবং বর্তমানে হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় যানজট নেই। যমুনা সেতু পশ্চিম পাড়ের তথ্য আমার কাছে নেই।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের ৬ লেনের যানবাহন যমুনা সেতুতে টোল দিয়ে দুই লেনে পার হয়। রাতে তো এক লেন হয়ে যায়। তাই জ্যাম হয়। এটাও বেশি দূর নয়। স্টেশন পর্যন্ত। অনেক গাড়ি আজকে এসেছে। ব্রিজের ক্যাপাসিটির থেকে গাড়ির চাপ বেশি।

শেয়ার করুন